ছবি এডিটিংয়ের জন্য সেরা ডেস্কটপ কম্পিউটার কোনটি?

একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার ক্যামেরার সাথে যে পরিমান সময় পার করে থাকে তার থেকেও বেশি সময় পার করে কম্পিউটারের সাথে ছবি এডিটিংয়ের জন্য। অনেক ফটোগ্রাফার তাদের ফটোগ্রাফির জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পছন্দ করেন তবে আপনি যদি সর্বদা চলতে না চান তবে আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটারের সাথে আরও অনেক আনন্দদায়ক এডিটিংয়ের অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

ফটোশপ এবং লাইটরুমে ছবি সম্পাদনা অনেকগুলি ডিস্ক স্পেস এবং প্রক্রিয়াকরণ শক্তি প্রয়োজন হয় – একটি বৃহত মনিটরের পাশে যেখানে ছোট, জটিল জটিল সম্পাদনা করার সময় আপনার প্রয়োজন হবে। ডেস্কটপ কম্পিউটারগুলি এই কারণেই ব্যাবহৃত হয়, কারণ তারা সাধারণত কোনও দৃশ্যমান সময় ছাড়াই আরও বেশি মাল্টিটাস্কিং শক্তি সরবরাহ করতে নির্মিত হয়।

তাহলে দেখে নেওয়া যাক ছবি এডিটিংয়ের জন্য সেরা ডেস্কটপ কম্পিউটার কোনগুলি:

১। অ্যাপল ম্যাক মিনি (Apple Mac Mini)

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • Intel Core i3 – i7 Processor
  • Intel UHD Graphics 630
  • 8GB – 64GB RAM / 512GB – 2TB SSD
  • 4x Thunderbolt 3 (USB-C) Ports
  • Supports 5K+4K or Three 4K Video Display Setups
  • macOS Mojave Operating System

২। মাইক্রোসফট সারফেস ষ্টুডিও ২ (Microsoft Surface Studio 2)

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • Intel Core™ i7-7820HQ Processor
  • NVIDIA GeForce GTX 1060-1070 6GB GDDR5
  • 28” (4500×3000) PixelSense Multi-Touch Display
  • 16GB – 32GB RAM / 1TB – 2TB SSD
  • SDXC Memory Card Reader
  • 4x USB 3.0, 1x USB-C Ports
  • Windows 10 Pro Operating System

৩। অ্যাপল আইম্যাক প্রো (Apple iMac Pro)

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • Intel Xeon W Processor
  • AMD Radeon Pro Vega 56 – 64 Graphics Card
  • 32GB – 128GB RAM / 1TB – 4TB SSD
  • 27” 5K (5120 x 2880) Retina Display
  • SD/SDHC/SDXC Media Card Slots
  • 4x Thunderbolt 3 (USB Type-C), 4x USB 3.0 Type-A Ports
  • 4x Mini DisplayPort via Type-C
  • macOS High Sierra Operating System

৪। অ্যাপল আইম্যাক (Apple iMac)

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • Intel i5 – i7 Processor
  • Intel Iris Plus Graphics 640 – AMP Radeon Pro 560
  • 8GB – 32GB RAM / Up to 1TB HDD, 1TB SSD
  • 21.5” (Diagonal) Retina 4K P3 Display
  • SDXC Media Card Slot
  • 4x USB 3.0, 2x Thunderbolt 3 (USB-C) Ports
  • macOS Sierra Operating System

৫। ডেল এক্সপিএস টাওয়ার 8930 (Dell XPS Tower 8930)

Dell XPS Tower 8930

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • 8th Gen Intel i7-8700 6-Core Processor
  • Intel UHD Graphics 630 – NVIDIA GeForce GTX 1060
  • 8GB – 64GB DDR4 SDRAM
  • Up to 1TB SATA HHD + 16GB Intel Optane
  • 2x USB 2.0, 7x USB 3.1, 1x USB Type-C Ports
  • Windows 10 Pro (64-Bit) Operating System

৬। ইন্টেল NUC 8 ভিআর মিনি পিসি কিট (Intel NUC 8 VR Mini PC Kit)

Intel NUC 8 VR Mini PC Kit

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • 8th Gen Intel Core i7 Processor
  • AMD Radeon RX Vega M GH Graphics Card
  • Support for up to 32GB RAM
  • SD/SDHC/SDXC Media Card Slot
  • 2x Thunderbolt 3 (Type-C), 5x USB 3.0 (Type-A) Ports
  • 1x USB 3.1 Gen 2 (Type-A), 1x USB 3.1 Gen 2 (Type-C) Ports
  • 2x HDMI 2.0b, 2x Mini DisplayPorts

৭। সাইবারপাওয়ারপিসি গেমার আল্ট্রা (CyberPowerPC Gamer Ultra)

CyberPowerPC Gamer Ultra

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • AMD FX-6300 6-Core Processor
  • Radeon R7 240 2GB GDDR5 Graphics Card
  • 8GB DDR3 RAM / 1TB 7200rpm SATA III HDD
  • 4x USB 2.0, 4x USB 3.0, 1x HDMI Ports
  • Windows 10 Home (64-Bit) Operating System

৮। ডেল এলিয়েনওয়্যার অরোরা আর 7 (Dell Alienware Aurora R7)

Dell Alienware Aurora R7

স্পেসিফিকেশন্স:-

  • Intel Core i7-8700 Processor
  • NVIDIA GeForce GTX 1070 8GB GDDR5
  • 16GB RAM / Up to 2TB HDD + 256GB SSD
  • 3x USB 3.0, 1x USB 3.0 Type-C Front Ports
  • 6x USB 2.0 (Type-A), 2x USB 3.1 (Type A), 1x USB 3.1 (Type-C), 3x USB 3.0 (Type-A) Rear Ports
  • Windows 10 Home (64-Bit) Operating System

 

কম্পিউটারের স্পিড ঠিক রাখার কার্যকরী ৫ কৌশল

সাধারণত একটি কম্পিউটার কিছু দিন ব্যবহার করার পরেই তার গতি আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে। অবশ্য এই গতি কমার পিছনে বেশ কিছু কারণ ও থাকে। এই কারণ গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন, মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, প্রসেসর ইত্যাদির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া। এই সমস্যার জন্য কম্পিউটারের স্পিড কুমে গেলে এটা ঠিক করা কিছুটা কষ্টসাধ্য কেননা এর থেকে মুক্তি পেতে হলে যে যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতা কমে গিয়েছে সেটা পরিবর্তন করতে হবে। আর সবসময় যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা সম্ভব হয়না। কারন যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করতে হলে নতুন করে টাকা পয়সা খরচ করতে হয়।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম্পিউটারের স্পিড কুমে যাওয়ার পিছে আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি এদের ও দায় থাকে। আর আজকে আমরা তুলে ধরবো যন্ত্রাংশ পরিবর্তন না করেই কম্পিউটারের স্পিড কিছুটা স্বাভাবিক রাখার কার্যকরী ৫ কৌশল।

জেনে নিন যে ৫০ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা বিপজ্জনক

আপনি জানেন কি? সাইবার আক্রমণের শিকার হওয়ার মূল কারণ আপনার ব্যাবহৃত দুর্বল পাসওয়ার্ড। শুনে অবাক হলেও বিষয়টি সত্য। সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলো হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

৫০টি বিপজ্জনক পাসওয়ার্ডের তালিকা:

নাম্বার পাসওয়ার্ড
123456
123456789
qwerty
password
1234567
12345678
12345
iloveyou
111111
১০
123123
১১ abc 123
১২ qwerty 123
১৩ 1 q2 w3 e4 r
১৪ admin
১৫ qwertyuiop
১৬ 654321
১৭ 555555
১৮ lovely
১৯ 7777777
২০ welcome
২১ 888888
২২ princess
২৩ dragon
২৪ password1
২৫ 123 qwe
২৬ 666666
২৭ 1 qaz2 wsx
২৮ 333333
২৯ michael
৩০ sunshine
৩১ liverpool
৩২ 777777
৩৩ 1 q2 w3 e4 r5 t
৩৪ donald
৩৫ freedom
৩৬ football
৩৭ charlie
৩৮ letmein
৩৯ !@#$%^&*
৪০ secret
৪১ aa 123456
৪২ 987654321
৪৩ zxcvbnm
৪৪ passw0 rd
৪৫ bailey
৪৬ nothing
৪৭ shadow
৪৮ 121212
৪৯ biteme
৫০ ginger

ওয়েব সাইটের জন্য হোস্টিং কেনার আগে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করে নেওয়া উচিত

ওয়েব হোস্টিং কি আপনি যদি সেটা জেনে থাকেন তাহলে ভালো আর যদি না জেনে থাকেন তাহলে জেনে নিন। ওয়েব হোস্টিং হলো: “একটি ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা এমন একটি ইন্টারনেট হোস্টিং পরিষেবা যা ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলিকে তাদের ওয়েবসাইটকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য করতে দেয়। “

আরো সহজ ভাষায় ওয়েব হোস্টিং হলো একটি স্পেস বা জায়গা। যে জায়গা ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের মালিকেরা তাদের ওয়েব সাইটের সকল কনটেন্ট বা ডাটা জমা রাখে। হোস্টিং ব্যবহার না করে ওয়েব সাইট মেইনটেইন করা সম্ভব নয়।

যেহেতু ওয়েব সাইটের জন্য হোস্টিং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাই যে সকল বিষয় ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে বিবেচনা করা উচিত সেই বিষয়গুলো জেনে নিন:

১। আপনার যেমন সার্ভার প্রয়োজন
হোস্টিং কেনার আগে সর্বপ্রথম ঠিক করে নিন আপনার বাজেট। এর পর, যদি আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিটরের সংখ্যা অনেক বেশি হয় কিংবা একই সময়ে অনেক ভিজিটর আপনার সাইট ভিজিট করে তাহলে নরমাল ওয়েব হোস্টিং আপনার জন্য না। এই ক্ষেত্রে আপনাকে ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং কিনতে হবে। অন্যান্য হোস্টিং এর তুলনায় ডেডিকেটেড হোস্টিং এর খরজ অনেক বেশি। অপরদিকে আপনার সাইটে ভিজিটরের সংখ্যা যদি খুব বেশি না হয় তাহলে আপনি শেয়ারড হোস্টিং/ সার্ভার ব্যবহার করতে পারবেন।
২। প্রতিষ্ঠান যাচাই করে হোস্টিং কেনা
ডোমেইন কিংবা হোস্টিং স্পেস কেনার আগে অবশ্যই উক্ত প্রতিষ্ঠানের সেবার মান যাচাই-বাছাই করে কেনা বুদ্ধিমানের কাজ। হোস্টিং কেনার পর উক্ত প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আপনাকে কারিগরি সাপোর্ট দিবে কি না এই বিষয়টি জেনে নেবেন।
৩। কন্ট্রোল প্যানেল
ওয়েবসাইট কোথাও নতুন করে হোস্ট করতে হলে ডোমেইন এবং হোস্টিংয়ের পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল প্রয়োজন হয়। এর জন্য হোস্টিং কিংবা ডোমেইন কেনার সময় কন্ট্রোল প্যানেলের একসেস নিয়ে নেবেন। পরবর্তীতে আপনার উজারনেম-পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে রাখবেন।
৪। ডিস্ক স্পেস
আপনার ওয়েব সাইট কি ধরণের এবং কি পরিমান জায়গা আপনার সাইটে ব্যাবহৃত হতে পারে এই ব্যাপারটি মাথায় রেখে ডিস্ক স্পেস কিনবেন। প্রয়োজনের অধিক কিংবা প্রয়োজনের কম ডিস্ক স্পেস কোনটিই সাইটের জন্য ভালো না।

ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ – কোনটি ভাল, আপনি কোনটি কিনবেন?

বর্তমান সময়ে কম্পিউটার কেনার আগে প্রায় প্রতিটা মানুষ ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ কোনটি কিনবেন এই সংশয়ে ভোগে। সময়ের পরিক্রমায় ডেস্কটপ কম্পিউটারের আকার আগের তুলনায় অনেকটা ছোট হয়ে এসেছে কিন্তু তারপরেও সেটি বহনযোগ্য নয়। অন্যদিকে ল্যাপটপ ডেস্কটপের তুলনায় অনেকটা ছোট এবং বহনযোগ্য। এই দুইটি যন্তের মধ্যকার পার্থক্য সকলের সামনে থাকলেও কম্পিউটার কেনার আগে মানুষ সংশয়ে ভুগে থাকে কারণ একেকজন মানুষের চাহিদা একেক রকম।

সাধারণ একটি কম্পিউটার কেনার আগে বেশ কিছু জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হয়, তার মাঝে অন্যতম একটি ব্যাপার হচ্ছে ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপ থেকে যে কোন একটি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া। ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ উভয়ই কম্পিউটারেরই কিছু সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। তারপর যেকোনো একটি কেনার সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হয়। আর আমাদের আজকের পোস্টটি তাদের জন্য যারা সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগছে কোনটি কিনবে ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ? আশা করি সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন এবং কম্পিউটার কেনার সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন!

১। উদ্দেশ্য এবং প্রয়োজনীয়তা

এই ক্ষেত্রে সর্বপ্রথমেই আপনাকে বিবেচনা করতে হবে আপনি ঠিক কি কাজে ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার কিনতে চাচ্ছেন। এর পর আপনাকে বিবেচনা করতে হবে আপনার বাজেট কত। ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ থেকে যেকোনো একটি বাছায়ের সব থেকে বড় ভূমিকা রাখে বাজেট। কারণ আপনি যে দামে ভালো মানের একটি ডেস্কটপ কিনতে পারবেন ওই একই দামে একই স্পেসিফিকেশনের একটি ল্যাপটপ কিনতে পারবেন না। যেহেতু ল্যাপটপ ডেস্কটপের তুলনায় আকারের ছোট,পরিপূর্ণ কাঠামো এবং যন্ত্রাংশ একত্রিত করতে নির্মাতাদের বাড়তি খরচ হয়। এ কারণে ল্যাপটপের দাম ডেস্কটপের চেয়ে একটু বেশিই হয়। তাহলে এই ক্ষেত্রে ফলাফল দাঁড়ালো আপনার যদি পারফরমেন্স বিবেচ্য বিষয় হয়, তাহলে যেকোনো বাজেটে ডেস্কটপ পিসিই সুস্পষ্টভাবে ভালো হবে আপনার জন্য।

২। বিবেচনায় রাখুন বহন করার সুবিধা

আপনার কাজের জন্য যদি সবসময় কম্পিউটার আপনার সাথে দরকার হয় সেই ক্ষেত্রে আপনার জন্য ল্যাপটপের বিকল্প কোন ব্যাবস্থায় খোলা নেই। দেরি না করে এখনই ল্যাপটপ কিনে ফেলুন।

৩। গেম খেলা ও ভারী কাজ করা

বর্তমান সময়ে বাজারে গেমস খেলার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন মডেলের গেমিং ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে। কিন্তু তারপরেও গেমস খেলার জন্য গেমারদের কাছে ল্যাপটপের তুলনায় ডেস্কটপই বেশি জনপ্রিয়। সত্য কথা বলতে যারা গেমিং পছন্দ করেন কিংবা নিয়মিত গেম খেলেন তাদের জন্যও ডেস্কটপ পিসি অধিক সুবিধাজনক এবং এর বিকল্প হিসাবে ল্যাপটপকে এখনো বিবেচনা করা যাবে না।

৪। ওভারঅল সুবিধা

পার্ফরমেন্সের কথা বাদ দিলে ল্যাপটপের বেশ কিছু সুবিধা আছে। যেমন সহজেই বহন করা যাই, আকারে অনেক ছোট, ইন্টার্নাল ক্যামেরা রয়েছে, ইন্টার্নাল মাউসপ্যাড ও কিবোর্ডের মতো দরকারি কিছু সুবিধা ল্যাপটপে সঙ্গেই রয়েছে। এগুলো আপনি ডেস্কটপে এখনই পাবেন না। ডেস্কটপের ক্ষেত্রে আপনাকে সব আলাদা কিনতে হয়। আর তাছাড়া আপনি যদি ক্লাসে, অফিসে, ট্যুরে আপনার কম্পিউটারকে আপনার সঙ্গী করতে চান, সেক্ষেত্রে ল্যাপটপের বিকল্প নেই।

৫। তাহলে ডেস্কটপ নাকি ল্যাপটপ? কোনটি কিনব?

উপরে সকল পয়েন্ট বিবেচনা করে বলা যাই আপনি যদি বেশিরভাগ সময় এক জায়গায় থেকে কাজ করেন এবং আপনি গেমিং সহ হেভি টাস্ক এর জন্য পিসি কিনতে চান, সেক্ষেত্রে কোনোপ্রকার সিদ্ধান্ত হীনতায় না ভুগে এখনই ভালো মানের একটা ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনে নিন।

আর যদি মোটামুটি মানের গেমিং বা কম লোডের কাজ করেন (নেট ব্রাউজিং, মাইক্রোসফট অফিস, টুকটাক ফটোশপ, টেক্সট/কোড এডিটর) এবং পাশাপাশি পোর্টেবিলিটিও দরকার হয় তাহলে স্পেসিফিকেশন খেয়াল রেখে আপনার বাজেটের মধ্যে একটা ল্যাপটপ কিনে নিন।

অনলাইনে ফাইল রাখার জন্য সেরা ফ্রি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস কোনটি?

পৃথিবীর এই সময়টাকে বলা হয়ে থাকে ক্লাউড কম্পিউটিং এর যুগ। এর পিছে সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে বর্তমানে সবকিছুই ক্লাউড নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু আস্তে আস্তে সব কিছু ক্লাউড নির্ভর হয়ে যাচ্ছে এর সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ও তার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা সংরক্ষণের জন্য ক্লাউড স্টোরেজ সিস্টেমকে বেঁছে নিচ্ছে। তবে ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম এমনি এমনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি এর পিছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও রয়েছে যেমন নির্ভরযোগ্যতা, কম খরচ ও যে কোন স্থান থেকে এক্সেস করা যায় এই গুলো উল্লেখ যোগ্য। বর্তমান বাজারে বেশ কিছু ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি রয়েছে। সব কোম্পানি গুলোই দুই-প্রকার সেবা প্রদান করে থাকে। এক, পার্সোনাল ব্যবহারের জন্য ফ্রি তে কিছু সুবিধা আপনাকে প্রদান করবে। দুই, বাৎসরিক, কিংবা মাসিক একটা চার্জের বিনিময়ে আপনাকে সেবা আপনাকে প্রদান করবে। তবে এতো এতো ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসের ভিড়ে আপনি কোনটিই বা বাছাই করবেন? আর দেরি না করে এখনই আমাদের পোস্টের মাধ্যমে জেনে নিন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাতটি ক্লাউড স্টোরেজের নাম পর্যায়ক্রমে।

১। গুগল ড্রাইভ

২। ওয়ানড্রাইভ

৩। ড্রপবক্স

৪। মিডিয়াফায়ার

৫। পিক্লাউড

৬। অ্যামাজন ক্লাউড

৭। ইয়ান্ডেক্স ডিস্ক