পয়েন্ট অফ সেল (POS SYSTEM) ব্যবহারের সুবিধা সমূহ

  •  স্টক ব্যাবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণ: পস সিস্টেম দক্ষ পদ্ধতিতে পণ্যের মজুদ সংরক্ষণে সক্ষমতা প্রদান করে। বিক্রিত পণ্যের হালনাগাদ তথ্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কম মজুদ বিশিষ্ট পণ্যের রি-অর্ডার করা সহজ হয়। এমনকি দিনের কোন সময় কোন নির্দিষ্ট পণ্য বিক্রি হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করে প্ৰয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।
  •  বিক্রয় ব্যাবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণ: পস সিস্টেম দোকান বা প্রতিষ্ঠানের বিক্রিত পণ্যের বিল প্রস্তুত এবং বিক্রয়ের পরিসংখ্যান প্রধান করে। যদ্দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন কোন পণ্য জনপ্রিয় এবং বেশি বিক্রি হচ্ছে কোন পণ্য বিক্রয়ে বেশি সময় লাগছে। এ ব্যবস্থা ব্যবহারের মাধ্যমে দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, বার্ষিক বিক্রয় সংক্রান্ত প্ৰয়োজনীয় তথ্য বা প্রতিবেদন দ্রুত পাওয়া যাবে। দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ম্যানুয়াল বা কাগুজে হিসাব নিকাশে সময় কম ব্যায় হবে।

পয়েন্ট অফ সেল (POS SYSTEM) ব্যবহারের সুবিধা সমূহ

  •  গ্রাহক সম্পর্ক ব্যাবস্থাপনা: এ ব্যাবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকের লেনদেন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত, পণ্যের বিক্রয় তালিকা গ্রাহকের পছন্দ এবং অপছন্দ বুঝে নতুন পণ্য বা সেবা সম্পর্কে অবহিত করা সম্ভব।
  •  পণ্য ক্রয় ব্যাবস্থাপনা: এ ব্যাবস্থায় পণ্য বা সেবার ধরণ, দাম , ব্র্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ক্ৰয়কৃত পণ্য বা সেবার রেকর্ড সংরক্ষণ করা যায়।

পয়েন্ট অফ সেল (POS SYSTEM) কি? ক্লাউড বেসড পস ব্যবস্থা কেন ব্যবহার করা উচিত?

পয়েন্ট অফ সেল (POS SYSTEM) হল সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার সংবলিত সয়ংক্রিয় পদ্ধতি যা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ক্রয়-বিক্রয় সংক্ৰান্ত আর্থিক লেনদেন নথি ভুক্ত করা হয়। অধিকন্ত পণ্যের স্টক পর্যবেক্ষণ, গ্রাহক সম্পর্ক ব্যাবস্থাপনা, বিক্রয় এবং বিক্রয়পরবর্তী পরিসংখ্যান এবং এসব বিষয়ে অন্যান্য প্ৰয়োজনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করা যায়। ক্লাউড বেসড সিস্টেম বর্তমানে পস সফটওয়্যারের নতুন ট্রেন্ড। ক্লাউড বেসড পস ব্যবস্থা ইন্টারনেটের সরাসরি এক্সেস করা যেতে পারে এবং প্রচলিত হার্ডওয়্যারে ব্যবহার উপযুগি; খরচ কম, সুবিধা জনক কারণে যেকোনো ইস্থান থেকে আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের ক্রয়, বিক্রয়, স্টক ও গ্রাহক বিষয়ক সর্বশেষ তথ্য জানতে পারবেন।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কোথায় কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন?

Corporate Networking Solution (কর্পোরেট নেটওয়ার্ক সল্যুশন): লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ও ওয়াইফাই সিস্টেমের মাধ্যমে অফিসের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যাবস্থার ভিত্তিপ্রস্তুর ইস্থাপন করুন।

ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ও ডাটা কানেক্টিভিটি এর মাধ্যমে রিমোট অথবা ব্রাঞ্চ অফিসের সাথে আন্ত অফিসিয়াল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করুন। ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির মাধ্যমে বহির বিশ্বের সাথে যোগাযোগ ইস্থাপন করুন।

IT Help Desk (আইটি হেল্প ডেস্ক): অফিসিয়াল অভ্যন্তরীন কাজের জন্য ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, প্রিন্টার সেটাপ করা এবং প্রয়োজন-মাফিক ট্রাবলশ্যুটিং করা। আইটি প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসের সিডিউল মেইনটেনেন্স করা। সাথে সাথে প্রযুক্তিগত তথ্যের সহযোগিতা করাও IT Help Desk এর কাজ।

Corporate Mail Solution (কর্পোরেট মেইল সল্যুশন): কর্পোরেট মেইল সল্যুশন দিয়ে কোম্পানির যোগাযোগ সম্পূর্ণ করে তথ্য মালিকানা, তথ্য নিরাপত্তা ও তথ্য প্রবাহের নজরদারি নিশ্চিত করুন। গ্রাহক আস্থাশীলতা, ব্যাবসায়িক পেশাদারিত্ব, প্রতিষ্ঠানের সুনাম এবং সম্ভাবনা বৃদ্ধি করুন।

Cloud Storage & Central Data Backup Solution (ক্লাউড স্টোরেজ ও সেন্ট্রাল ডাটা ব্যাকআপ সল্যুশন): গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্স এর মতো নিজেস্ব লোকাল ক্লাউড সার্ভার সেটাপ করে আপনার ব্যাবসায়িক ডাটা বা তথ্যের নিরাপত্তা, ডেটা এভেইল্যাবিলিটি, ডেটা ওয়ানারশিপ বা মালিকানা, লোকাল এরিয়া নেটওর্ক এবং ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে রিমোট ডাটা এক্সেস নিশ্চিত করুন।

ডেস্কটপ সিঙ্ক ইনস্টল করে সেন্ট্রাল সার্ভারে অফিসিয়াল তথ্যের সংরক্ষণ করুন বা ব্যাকআপ রাখুন। ব্যাবহারকারির হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ বা একসিডেন্টাল অথবা ইন্টেনশনাল ডাটা ডিলিটের মতো দুর্ঘটনা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ডিজিটাল তথ্য সমূহকে নিরাপদ রাখুন।

Website Design & Development (ওয়েবসাইট ডিসাইন & ডেভেলপমেন্ট): ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্য প্রদর্শন করে জাতীয় ও আন্তজাতিক ভাবে অনলাইন বিজনেস দ্বার উন্মুক্ত করুন।

Digital Marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং): Search Engine Optimization (SEO) & Social Media Marketing (SMM) এর মাধমে আপনার পণ্য ও সেবা সম্পর্কে মানুষকে ব্যাপক ভাবে অবহিত করুন; সেবা ও পণ্য বিক্রয়ে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করুন।

Software Solution – Business automation or ERP Solution (সফটওয়্যার সলিউশন – বিজনেস অটোমেশন এবং এরপি সলিউশন): ব্যাবসায়ের হিসাব অনলাইনে এমনকি মোবাইল এপপ্স দিয়ে সম্পূর্ণ করুন। সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সংরক্ষিত কোম্পানির তথ্য ও উপাত্ত থেকে প্রয়োজন-মাফিক আপ-টু-ডেট রিপোর্ট সংগ্রহ করুন।

 

কর্পোরেট মেইল ব্যবহারের সুবিধা সমূহ

Customer Trust & Professionalism ( গ্রাহক আস্তাশীলতা এবং ব্যাবসায়িক পেশাদারিত্ব)

  • কোম্পানি মেইল ব্যবহার করে কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ করায় নতুন গ্রাহকদের মধ্যে আস্তাশীলতার ভাবমূর্তি তৈরি হওয়া।
  • মেইল যোগাযোগে গ্রাহক আশা করে @ সাইন এর পর ব্যাবসায়িক ডোমেইন (Business.com) নেম দেখতে। এতে এটা প্রতীয়মান হতে সহয়তা করে যে আপনি একজন পেশাদার এবংপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসা পরিচালক।

Ownership & Privacy Control ( তথ্য মালিকানা এবং যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ)

  • যদি আপনার প্রতিষ্ঠানে একাধিক কর্মকর্তা বা কর্মচারী থাকে, তবে আপনি চাইবেন তাদের দায়িত্বঅনুরূপ মেইল এড্রেস বন্টন করতে; সেক্ষেত্রে একটি কাস্টম ডোমেইন মেইল এড্রেস বন্টন এর মাধ্যমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষমতা প্রদান করবে।
  • উপরস্থ, যদি একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী কোম্পানি ত্যাগ বা পরিবর্তন করে তবে তারা কোম্পানির মেইল এড্রেস সাথে নিয়ে যেতে সমর্থ হবে না যা দিয়ে ব্যাবসায়িক যোগাযোগ সম্পূর্ণ করে আসছিলো। এটা ব্যাবসায়িক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে এবং তারা চলে গেলেও তাদের যোগাযোগকৃত ব্যাবসায়িক কন্টাক্ট এবং তথ্য আপনার কাছে থাকবে।

Name Recognition & Branding ( ব্যাবসায়িক পরিচিতি বৃদ্ধি এবং ব্র্যান্ডিং)

  • নিজেস্ব ডোমেইন মেইল ব্যবহার করা কোম্পানি প্রমোট করার একটি সহজ উপায়। যত বেশি তারা আপনার নাম দেখবে, ততো বেশি তারা আপনার কথা চিন্তা করবে এবং তাদের পক্ষে আপনাকে স্মরণ রাখা সহজ হবে।
  • মেইল যোগাযোগে আপনার নাম ব্যবহার করা ব্যাবসায়িক সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। আপনি একটি মেইল পাঠানোর পরে এটা একাধিক ভিন্ন মেইল এড্ড্রেসে ফরওয়ার্ড হতে পারে। যখন লোকজন আপনার কোম্পানির এটি তাদের মধ্যে আপনার ব্যবসা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী করতে পারে। যদি একই ডোমেইন নেমে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকে, এমনকি লোকজন আপনার মেইল দেখে ওয়েবসাইটও ভিজিট করতে পারে।

Safeguarding Confidential Information & Secure Data ( ইস্পর্শকাতর তথ্য নিরাপদিকরন এবং ডাটা নিরাপত্তা নিয়ন্তিকরণ)

  • মেইল যোগাযোগে ইস্পর্শকাতর তথ্য আদান প্রদান হতে পারে যেমন অর্থনৈতিক, লিগ্যাল, পাসওয়ার্ড, বা গোপনীয় তথ্য। এমপ্লয়ী মেইল একাউন্ট সম্পূর্ণ নিরাপদিকরন এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যাতিরেকে প্রতিষ্ঠান ওই সব মেইল একাউন্ট থেকে তথ্যের পুরোমাত্রার গোপনীতা এবং নিরাপত্তা আশা করতে পারে না।
  • অর্গানাইজেশানাল ডাটা ব্যাকআপ সিস্টেম, ডাটা ইনস্ক্রিপশন, ভাইরাস ইস্পাম প্রতিরোধ – এসবদিক বিবেচনায় আন্তর্জাতিক মানসম্পর্ণ বিজনেস মেইল বেশি নিরাপদ।

 

কর্পোরেট মেইল ব্যবস্থার আদর্শ ও উচ্চমান সম্পূর্ণ বৈশিষ্ট

বিজনেস মেইলের আদর্শ কিছু বৈশিষ্ট :-

বিজনেস মেইলের আদর্শ কিছু বৈশিষ্ট

  • নিরাপত্তা: ওয়েবমেইল ও এপ্প উভয় ক্ষেত্রে লগইন করতে ২ স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা (পাসওয়ার্ড ও মোবাইল ভেরিফিকেশন কোড)
  • সিনক্রোনিজশ্ণ: মেইল (পেরিত/আগত) কন্টাক্ট (বেক্তিগত, অর্গানিজশন, ও ক্যাশ এড্রেস) ও ক্যালেন্ডারের তথ্য সমূহ ওয়েবমেইল, আউটলুক, এবং মোবাইল সিনক্রোনিজশ্ণ এর মাধ্যমে হুবহু একই রকম রাখুন।
  • ক্লাউড ডাটা স্টোরেজ: সমস্ত মেইল এবং কম্পিউটার ডাটা ক্লাউডে সংরক্ষিত রাখুন। ডেস্কটপ সিঙ্ক দিয়ে তথ্য স্বয়ংক্রিয় ভাবে অনলাইনে সিঙ্ক করুন। দুর্ঘটনা থেকে তথ্য নিরাপদ রাখুন। যখন ও যেকোনো জায়গা থেকে ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে সহকর্মী এবং কাস্টমারের সাথে নিরাপদ ভাবে তথ্য শেয়ার করুন।
  • অনুসন্ধান ব্যবস্থা: বেসিক এবং অ্যাডভান্স অনুসন্ধানের মাধ্যমে ওয়েব ও এপ্প থেকে মেইল ও তথ্য খুঁজে বের করুন।

বিজনেস মেইলের উচ্চমান সম্পূর্ণ কিছু বৈশিষ্ট:-

বিজনেস মেইলের উচ্চমান সম্পূর্ণ কিছু বৈশিষ্ট

  • অধীনস্তদের আগত ও প্রেরিত মেইল সংরক্ষণ/মনিটরিং
  • অফিস আউটলুকে মেইল ব্যবহার
  • প্রতিষ্ঠানে আগত ও প্রেরিত মেইলের লগ পর্যবেক্ষণ
  • প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে মেইল ব্যবহার করা
  • নিজ বা নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মেইল আদান প্রদান নিশ্চিত করা।
  • এটাচ্মেন্ট ব্যবহার করতে না পাড়ার সীমাবদ্ধতা প্রদান।
  • মেইল এক্সপোর্ট/ ইম্পোর্ট, ফরওয়ার্ড এক্সেস এ রেজিস্ট্রেশন প্রদান।
  • অ্যাডমিন এপ্প সহ ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

অনলাইন ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার ৫ টি কারণ

প্রতিদিন ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তির প্রসার যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তার সঙ্গে তালমিলিয়ে পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরণ। এর কারণে দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে অনলাইন ব্যবসার পরিধি এবং চাহিদা। তবে যুগের সাথে তালমিলিয়ে অনলাইন ব্যবসা যারা বেঁছে নিয়েছে তাদের সকলেই কি শেষপর্যন্ত সফলতার মুখ দেখছে? অবশ্যই না! কারণ সকল উদ্যোক্তাই ব্যবসায়ে সফলতার মুখ দেখবে না এটা যেমন স্বাভাবিক ঠিক তেমনি নতুন ই-কমার্স উদ্যোগ ঝরে পরার পিছনেও বেশ কিছু কারণ রয়েছে।

একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গিয়েছে ১০০টি নতুন ব্যবসার উদ্যোগের মধ্যে মাত্র ১০টি সফল হয়। আবার এই ১০টির মধ্যে ৯টিই ৫ বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। – কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কেন এমন হয়? আজ আমরা আলোচনা করবো অনলাইন ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ৫ টি কারণ নিয়ে।

  • হুজুগে দ্রুত লাভের চিন্তায় অনেকেই অনলাইন ব্যবসার ব্যাসিক পর্যন্ত জানেনা কিন্তু ব্যবসার নেমে পরে। এর ফলে কিছু দিন পর থেকেই নানা ধরণের জটিলতা দেখা দিলে সেটি মোকাবেলা করতে না পাড়ার কারণে বন্ধ হয়ে যায় ব্যবসার প্রতিষ্ঠান। এর জন্য অনলাইনে ব্যবসা শুরু করার আগে অনলাইন ব্যবসা সম্পর্কিত ভাল ধারণা থাকতে হবে। প্রথমে বুঝতে হবে অনলাইনে ব্যবসা করা আসলে শুধুমাত্র পণ্য বিক্রি করা না বরং এটি একটি সার্ভিস। যে সার্ভিস ভালোভাবে প্রদান করতে পারবে সেই অনলাইন ব্যবসার টিকে যাবে।
  • দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব। শুধুমাত্র অনলাইন ব্যবসা নয় যে কোনো কাজে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব থাকলে সেই কাজে সফলতা পাওয়া খুব কষ্টকর। অনলাইন ব্যবসা শুরু করার আগে টার্গেট কাস্টমার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে, যে পণ্য নিয়ে ব্যবসা করবেন সেটার সোর্সিং কিভাবে করবেন সেটা ঠিক করতে হবে, নির্দিষ্ট পণ্যের চাহিদা কেমন সেটা মাথায় রাখতে হবে, ব্যবসার রিস্ক অ্যানালাইসিস করতে হবে ইত্যাদি।
  • niche বুঝে অনলাইন ব্যবসা শুরু না করা। অনেকেই জামা, জুতা নিয়ে অনলাইনে ব্যবসা করে সফলতা পেয়েছে বলে আপনিও একই ব্যবসা করে সফলতা পাবেন তার কি গ্যারান্টি রয়েছে? এর জন্য একটু চিন্তা-ভাবনা করে niche বাছাই করুন। ধরুন আপনার বাড়ি বগুড়া এবং আপনি থাকেনও বগুড়া সেই ক্ষেত্রে আপনি বগুড়া কেন্দ্রিক ব্যবসার চিন্তা করতে পারেন।
  • অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা বলে আপনাকে সবসময় সোশ্যাল মিডিয়াতে পরে থাকতে হবে মার্কেটিং এর জন্য এই রকম কোনো কথা নেই । ৫ মিনিট পর পর ফেসবুকে পোস্ট না দিয়ে কাস্টমার রিলেশনের উপর জোড় দিন। তবে হা মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব রয়েছে।
  • অনলাইন ব্যবসাকে সহজ মনে না করা। আমাদের দেশের অনেকেরই ধারণা রিটেইল ব্যবসার থেকে অনলাইন ব্যবসা বেশ সহজ। কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। মার্কেট অ্যানালাইসিস, প্রোডাক্ট সোর্সিং থেকে শুরু করে ওয়েবসাইট প্রোপারলি ম্যানেজ করা, মার্কেটিং করা, অপারেশন্স সব গুলো সাইডের সঠিক সমন্নয় ছাড়া সফলতা অসম্ভব।

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট সুরক্ষিত রাখার জন্য বেশকিছু সহজ কৌশল

সাধারণত ওয়েবসাইটের মালিকদের কাছ থেকে ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি সম্পর্কে নানাধরণের অভিযোগ শোনা যাই। এই ক্ষেত্রে চিন্তার বিষয়টি হ’ল একটি ওপেন সোর্স প্লাটফর্ম সব ধরণের আক্রমণেই ঝুঁকিপূর্ণ। এবং যদি তা হয় তবে আপনি কীভাবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটি সুরক্ষিত রাখবেন?

তাহলে কি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটগুলি সুরক্ষিত নয়? এই প্রশ্ন আপনার মনে জাগতেই পারে! তবে আসল কথা হলো অন্তর্নির্মিত ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট সুরক্ষার অভাব কথাটি সত্য নয়। কারণ ওয়ার্ডপ্রেস তাদের সিকিউরিটি নিয়ে কোনো প্রকার ত্রুটি রাখে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্ প্লাটফর্ম থেকেও ওয়ার্ডপ্রেসের সিকিউরিটি ভালো। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে মাঝে মাঝে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটগুলিতে সিকিউরিটি জনিত সমস্যা দেখা দেয়।

আজ আমরা বেশ কয়েকটি সহজ কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটকে আরও বেশি সুরক্ষিত করতে সহায়তা করবে। এই কৌশলগুলি বাস্তবায়িত করার পরে এবং নিয়মিত ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি আপডেট অনুসরণ করার পরে, আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটি ভালভাবে সুরক্ষিত করার পথে একধাপ এগিয়ে যাবেন।

  • Set up a website lockdown feature and ban users: একটি ব্যর্থ লগইন প্রয়াসের জন্য একটি লকডাউন বৈশিষ্ট্য ক্রমাগত শক্তি প্রচেষ্টার বিশাল সমস্যা সমাধান করতে পারে। পুনরাবৃত্তিযোগ্য ভুল পাসওয়ার্ড সহ যখনই কোনও হ্যাকিংয়ের প্রচেষ্টা হয় তখনই সাইটটি লক হয়ে যায় এবং আপনি এই অননুমোদিত ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে অবহিত হন।
  • Use two-factor authentication for WordPress security: লগইন পৃষ্ঠায় একটি দ্বি-গুণক প্রমাণীকরণ (২ এফএ) মডিউলটির পরিচয় করিয়ে দেওয়া অন্য একটি ভাল সুরক্ষা ব্যবস্থা। এই ক্ষেত্রে, ব্যবহারকারী দুটি পৃথক উপাদান জন্য লগইন বিশদ সরবরাহ করে। ওয়েবসাইটের মালিক সিদ্ধান্ত নেন যে এই দুটি কী। এটি কোনও নিয়মিত পাসওয়ার্ড হতে পারে যার পরে কোনও গোপন প্রশ্ন, একটি গোপন কোড, অক্ষরের একটি সেট, বা আরও জনপ্রিয়, গুগল প্রমাণীকরণকারী অ্যাপ্লিকেশন, যা আপনার ফোনে একটি গোপন কোড প্রেরণ করে। এইভাবে, কেবলমাত্র আপনার ফোন (আপনি) সহ ব্যক্তি আপনার সাইটে লগ ইন করতে পারে।
  • Use your email to login: ডিফল্টরূপে, আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেসে লগইন করতে হবে আপনার ব্যবহারকারীর নাম। ব্যবহারকারীর নাম পরিবর্তে একটি ইমেল আইডি ব্যবহার করা আরও সুরক্ষিত পদ্ধতি। কারণগুলি বেশ সুস্পষ্ট। ব্যবহারকারীর নামগুলি পূর্বাভাস দেওয়া সহজ, যখন ইমেল আইডি হয় না। এছাড়াও, কোনও ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্ট লগ ইন করার জন্য একটি বৈধ সনাক্তকারী হিসাবে তৈরি করে একটি অনন্য ইমেল ঠিকানা দিয়ে তৈরি করা হয়।
  • Rename your login URL to secure your WordPress website: লগইন ইউআরএল পরিবর্তন করা সহজ কাজ। ডিফল্টরূপে, ওয়ার্ডপ্রেস লগইন পৃষ্ঠাটি ডাব্লুপি-লগইন.পিপি বা ডাব্লুপি-অ্যাডমিনের মাধ্যমে সাইটের মূল ইউআরএলে সহজেই অ্যাক্সেস করা যায়।

হ্যাকাররা যখন আপনার লগইন পৃষ্ঠার প্রত্যক্ষ ইউআরএল জানে, তারা তাদের পথে জোর করে প্রবেশ করার চেষ্টা করতে পারে p@ssword… এরকম কয়েক মিলিয়ন সংমিশ্রণ সহ)।

এই মুহুর্তে, আমরা ইতিমধ্যে ব্যবহারকারীর লগইন প্রচেষ্টা এবং ইমেল আইডিগুলির জন্য ব্যবহারকারীর নাম সীমাবদ্ধ করেছি। এখন আমরা লগইন ইউআরএল প্রতিস্থাপন করতে পারি এবং 99% সরাসরি ব্রুট ফোর্স আক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে পারি।

এই সামান্য কৌশলটি অননুমোদিত সত্তাকে লগইন পৃষ্ঠা অ্যাক্সেস করা থেকে সীমাবদ্ধ করে। সঠিক URL সহ কেবল কেউই এটি করতে পারে। আবার, আইেমস সুরক্ষা প্লাগইন আপনাকে আপনার লগইন ইউআরএলগুলি পরিবর্তন করতে সহায়তা করতে পারে। তাই এই পদ্ধতি সিকিউরিটি জন্য বেশ ভালো।

  • Adjust your passwords: আপনার পাসওয়ার্ডগুলি নিয়ে চারপাশে খেলুন এবং আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটি সুরক্ষিত করতে নিয়মিত এগুলি পরিবর্তন করুন। বড় হাতের অক্ষর এবং ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষর যুক্ত করে তাদের শক্তি উন্নত করুন। অনেক লোক দীর্ঘ পাসফ্রেজের বিকল্প বেছে নেয় যেহেতু হ্যাকারদের পক্ষে এটি পূর্বাভাস দেওয়া প্রায় অসম্ভব তবে এলোমেলো সংখ্যা এবং চিঠিগুলির একটি গুচ্ছের চেয়ে মনে রাখা সহজ।
  • Automatically log idle users out of your site: আপনার সাইটের ডাব্লুপি-অ্যাডমিন প্যানেলগুলি তাদের স্ক্রিনে উন্মুক্ত রেখে দেওয়া একটি গুরুতর ওয়ার্ডপ্রেস সুরক্ষা হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। যে কোনও পথিক আপনার ওয়েবসাইটে তথ্য পরিবর্তন করতে পারে, কোনও ব্যক্তির ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে পরিবর্তন করতে পারে, বা এমনকি আপনার সাইটটি পুরোপুরি ভেঙে দিতে পারে। আপনার সাইট লোকদের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অলস থাকার পরে লগ আউট করে তা নিশ্চিত করে আপনি এড়াতে পারেন।

বুলেটপ্রুফ সুরক্ষা মতো প্লাগইন ব্যবহার করে আপনি এটি সেট আপ করতে পারেন। এই প্লাগইনটি আপনাকে নিষ্ক্রিয় ব্যবহারকারীদের জন্য একটি কাস্টমাইজড সময়সীমা নির্ধারণ করতে দেয়, এর পরে সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ আউট হয়ে যায়।

  • Protect the wp-admin directory: ডাব্লুপি-অ্যাডমিন ডিরেক্টরিটি কোনও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের হৃদয়। অতএব, যদি আপনার সাইটের এই অংশটি লঙ্ঘিত হয় তবে পুরো সাইটটি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

এটি প্রতিরোধের একটি সম্ভাব্য উপায় হ’ল ডাব্লুপি-অ্যাডমিন ডিরেক্টরিটি পাসওয়ার্ড-সুরক্ষা। এই জাতীয় ওয়ার্ডপ্রেস সুরক্ষা ব্যবস্থা সহ ওয়েবসাইটের মালিক দুটি পাসওয়ার্ড জমা দিয়ে ড্যাশবোর্ড অ্যাক্সেস করতে পারেন। একটি লগইন পৃষ্ঠা সুরক্ষিত করে, এবং অন্যটি ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাডমিন অঞ্চল সুরক্ষিত করে।

এটি সেট আপ করার মধ্যে সাধারণত সিপ্যানেলের মাধ্যমে আপনার হোস্টিং সেটআপ সামঞ্জস্য করা। তবুও, আপনি যদি সঠিক পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করেন তবে এটি করা খুব বেশি কঠিন নয়।

  • Use SSL to encrypt data: কোনও এসএসএল (সিকিউর সকেট স্তর) প্রশংসাপত্র প্রয়োগ করা অ্যাডমিন প্যানেলটি সুরক্ষিত করার জন্য একটি স্মার্ট পদক্ষেপ। এসএসএল ব্যবহারকারী ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে সুরক্ষিত ডেটা স্থানান্তর নিশ্চিত করে, যা হ্যাকারদের সংযোগ লঙ্ঘন করতে বা আপনার তথ্যকে ছদ্মবেশী করে তোলে।

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের জন্য একটি এসএসএল প্রশংসাপত্র পাওয়া সহজ। আপনি একটি তৃতীয় পক্ষের সংস্থা থেকে একটি কিনে নিতে পারেন বা আপনার হোস্টিং সংস্থাটি বিনামূল্যে কোনও সরবরাহ করে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

  • Add user accounts with care: আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ, বা একাধিক লেখক ব্লগ পরিচালনা করেন তবে আপনার প্রশাসনিক প্যানেলটি অ্যাক্সেস করা একাধিক ব্যক্তির সাথে আপনার যোগাযোগ করা উচিত। এটি আপনার ওয়েবসাইটকে ওয়ার্ডপ্রেস সুরক্ষা হুমকির জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

আপনি যদি নিশ্চিত করতে চান যে ব্যবহারকারীরা যে পাসওয়ার্ডগুলি তৈরি করে সেগুলি নিরাপদ কিনা আপনি ফোর্স স্ট্রং পাসওয়ার্ডের মতো একটি প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। এটি কেবলমাত্র একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, তবে দুর্বল পাসওয়ার্ড সহ বেশ কয়েকটি ব্যবহারকারী থাকার চেয়ে এটি ভাল।

  • Change the WordPress database table prefix: আপনি যদি কখনও ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে থাকেন তবে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ডাটাবেস দ্বারা ব্যবহৃত ডাব্লুপি-টেবিল উপসর্গের সাথে পরিচিত। আমি আপনাকে এটি অনন্য কিছুতে পরিবর্তন করার পরামর্শ দিচ্ছি।

ডিফল্ট উপসর্গটি ব্যবহার করা আপনার সাইটের ডাটাবেসকে এসকিউএল ইঞ্জেকশন আক্রমণে প্রবণ করে তোলে। এই জাতীয় আক্রমণগুলি ডাব্লুপিপি-অন্য কোনও পদে পরিবর্তন দ্বারা প্রতিরোধ করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি এটি mywp- বা wpnew- করতে পারেন।

আপনি যদি ইতিমধ্যে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটি ডিফল্ট উপসর্গ সহ ইনস্টল করেন তবে আপনি এটি পরিবর্তন করতে কয়েকটি প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। ডাব্লুপি-ডিবিম্যানেজারের মতো প্লাগইন বা আইমেস সুরক্ষা আপনাকে একটি বোতামের একটি ক্লিকের সাহায্যে কাজটি করতে সহায়তা করতে পারে। (ডাটাবেসে কোনও কিছু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি আপনার সাইটের ব্যাক আপ নিয়েছেন)।

  • Set strong passwords for your database: মূল ডাটাবেস ব্যবহারকারীর জন্য একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড হওয়া আবশ্যক, যেহেতু এই পাসওয়ার্ডটি ডেটাবেস অ্যাক্সেস করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ।

সর্বদা হিসাবে, পাসওয়ার্ডের জন্য বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের সংখ্যা, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষর ব্যবহার করুন। পাসফ্রেসগুলি পাশাপাশি দুর্দান্ত। আমি আবার ল্যান্ডপাসকে এলোমেলো পাসওয়ার্ড তৈরি এবং সংরক্ষণের জন্য সুপারিশ করছি। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির জন্য একটি নিখরচায় এবং দ্রুত সরঞ্জামটি হ’ল নিরাপদ পাসওয়ার্ড জেনারেটর।

  • Monitor your audit logs: আপনি যখন ওয়ার্ডপ্রেস মাল্টিটাইট চালাচ্ছেন, বা কোনও বহু-লেখক ওয়েবসাইট পরিচালনা করছেন, তখন কী ধরণের ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকলাপ চলছে তা বোঝা জরুরি। আপনার লেখক এবং অবদানকারীরা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারে তবে এমন কিছু জিনিস রয়েছে যা আপনি হতে চান না। উদাহরণস্বরূপ, থিম এবং উইজেট পরিবর্তনগুলি অবশ্যই অ্যাডমিনদের জন্য সংরক্ষিত। আপনি যখন অডিট লগটি পরীক্ষা করেন আপনি নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন যে আপনার প্রশাসক এবং অবদানকারীরা অনুমোদন ছাড়াই আপনার সাইটে কোনও পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন না।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন কি? এবং ওয়ার্ডপ্রেস এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্লাগিন

ওয়ার্ডপ্রেস কি?

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে একটি সিএমএস (CMS) বা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। বিস্তারিত ভাবে বললে ওয়ার্ডপ্রেস হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ অনলাইন টুল যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রি এবং ওপেনসোর্স ব্লগিং টুল।

প্লাগিন কি?

প্লাগিন হচ্ছে এক ধরনের এপ্লিকেশন বা টুলস যা ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে নতুন নতুন ফাংশন এবং ফিচার যুক্ত করা যায়। প্লাগিন আপনার মোবাইলে ব্যাবহৃত এপ্লিকেশনগুলোর মতোই কাজ করে। বর্তমান সময়ে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যাপক এই জনপ্রিয়তার জন্য প্লাগিন এর অবদানই সবচেয়ে বেশি।

ওয়ার্ডপ্রেস এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্লাগিন:

  • VaultPress: ওয়ার্ডপ্রেস ধারা তৈরিকৃত ওয়েবসাইট ব্যাকআপের জন্য এই প্লাগিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • Jetpack: জেটপ্যাক হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন সমষ্টি। অনেকগুলি প্লাগিনের সমন্বয়ে এই প্লাগিন তৈরী করা হয়েছে।
  • Akismet: এটি মূলত সিকিউরিটি প্লাগিন। ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটকে স্প্যাম মুক্ত রাখাই এটির কাজ।
  • Plinky: প্রশ্নোত্তর দেওয়ার জন্য এই প্লাগিন ব্যবহার করা হয়।
  • After the Deadline: কন্টেন্টের বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা করার জন্য এই প্লাগিন ব্যবহার করা হয়।
  • VideoPress: ভিডিও আপলোড করার জন্য এই প্লাগিন ব্যবহার করা হয়।

আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য কিংবা ব্যাক্তিগত ব্লগ সাইট তৈরী করতে এখনই যোগাযোগ করুন:- www.nurtech.co

আপনার ব্যাবহৃত ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সম্পর্কিত যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন:- 01782-576576

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা কী?

ল্যাবএইড: চীন সহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে নভেল করোনা-ভাইরাস সংক্রমণের কারণে আতংক তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর এসেছে। আক্রান্তের সংখ্যাও কয়েক হাজার। সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে তা জাপান, থাইল্যান্ড, হংকং, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত ছড়িয়েছে।

নভেল করোনা ভাইরাস (২০১৯-nCOV) ভাইরাসের সপ্তম বৃহৎ প্রজাতি। এটি মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। পাশাপাশি আরও কিছু উপসর্গ দেখা দেয়।

লিভার ও কিডনিও আক্রান্ত হতে পারে। ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার মতো করেই এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে। তবে শেষ পর্যন্ত অরগ্যান ফেইলিওর বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া, নিউমোনিয়া এবং মৃত্যু ঘটারও আশঙ্কা রয়েছে।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ

আক্রান্ত হওয়ার পর ৫ দিন পর নিম্নোক্ত লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

  • শ্বাসকষ্ট
  • ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট জ্বর
  • শুকনো কাশি
  • শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা
  • পেটের পীড়া
  • পেটে জ্বালাপোড়া

করোনা ভাইরাস এর চিকিৎসা কী?

এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোনো টিকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। রোগ প্রতিরোধের চিকিৎসাও নেই।

চিকিৎসকরা বলছেন:

ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন
বারবার হাত ধুয়ে পরিচ্ছন্ন থাকুন
হাত দিয়ে নাক-মুখ স্পর্শ না করাই ভালো
ঘরের বাইরে গেলে সার্জিক্যাল মাস্ক পরুন
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চীন বা আক্রান্ত দেশ ভ্রমণ শেষে ফেরার ১৪ দিনের মধ্যে যদি প্রচণ্ড জ্বর (অন্তত ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট), গলাব্যথা, কাশি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় পড়েন, তাহলে নভেল করোনা ভাইরাস (২০১৯-nCOV) সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবিলম্বে স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ-নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান IEDCR-এর হটলাইনেও যোগাযোগ করা যেতে পারে:

+৮৮ ০১৯৩৭ ১১০০১১
+৮৮ ০১৯৩৭ ০০০০১১
+৮৮ ০১৯২৭ ৭১১৭৮৪
+৮৮ ০১৯২৭ ৭১১৭৮৫

সূত্র: ল্যাবএইড

SEO কি? এবং কার্যকরী ১৫ টি SEO টিপস

এসইও কি?

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক এসইও (SEO) শব্দের পূর্ণরূপ কি? SEO শব্দের পূর্ণরূপ হলো ‍Search Engine Optimization. আমরা প্রয়োজনীয় যে কোনো তথ্য কিংবা সংবাদ খুঁজে পেতে গুগলে সার্চ করে থাকি। গুগল তখন আমাদের সার্চ অনুযায়ী রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে থাকে। সার্চ রেজাল্ট পেজ কোনটি একদম প্রথমে প্রদর্শন করে আবার কোনটি সিরিয়াল অনুযায়ী একদম শেষে প্রদর্শন করে। যেই পেজটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। সহজ কোথায় বলতে গেলে এসইও হলো কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে।

এসইও করার সুবিধা:-

আমাদের ব্যাবহৃত ওয়েবসাইটের ধরণ যেমনি হোক না কোনো সকলের উদেশ্য কিন্তু একটাই। আর সেটা হলো আমাদের ব্যাবহৃত ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা। কেননা শুধুমাত্র ভিজিটর বৃদ্ধি পেলেই ওয়েবসাইট তৈরি করার উদ্ধেশ্য সফল হবে। আর এটি হল এসইওর ফযিলত।

কার্যকরী ১৫ টি এসইও টিপস:-

১। অবশ্যই প্রতিটি পেজের টাইটেল ইউনিক এবং কীওয়ার্ড যুক্ত হতে হবে।

২। সিঙ্গেল কীওয়ার্ডের চেয়ে বেশি সার্চ ফ্রেজের দিকে গুরুত্ব দিন। long tail keyword কে ভ্যালু দিন।

৩। ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা ওয়েবসাইট তৈরি করা হলে Yoast প্লাগিন ব্যবহার করুন। কারণ Yoast প্লাগিন এসইওর জন্য অনেক কার্যকরী।

৪। ওয়েবসাইটে ফ্রেম, ফ্ল্যাশ এবং AJAX ব্যবহারে বিরত থাকুন। এগুলো গুগল পছন্দ করে না কারণ লোডিং স্পীড কমিয়ে দেয়।

৫। লিঙ্ক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে পরিমানের চেয়ে মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। নিন্ম মানের সাইটে লিঙ্ক না করে ভালো মানের সাইটে লিঙ্ক তৈরি করুন।

৬। কীওয়ার্ড স্টাফিং না করে কীওয়ার্ড কে ন্যাচারাল ভাবে ব্যবহার করুন। নতুনরা এই ভুলটি বেশি করে। আর্টিকেল এর মধ্যে ০.৮% এর বেশি কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।

৭। ওয়েবসাইট যেন ইউজার ফ্রেন্ডলী হয়। ভিজিটর যেন সহজে আপনার ওয়েবসাইটকে ব্যবহার করে তার কাঙ্ক্ষিত তথ্য পেতে পারে সেই দিকে লক্ষ্য রাখুন।

৮। নিশ নির্ভর .edu সাইট গুলোতে লিঙ্ক বিল্ডিং করার চেষ্টা করুন। গুগল এই সাইটের লিঙ্ককে বেশি গুরুত্ব দেয়।

৯। কন্টেন্টের পরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন হল লিঙ্ক। তাই লিঙ্ক তৈরির ক্ষেত্রে সতর্ক ভাবে কার্যকরী লিঙ্কই তৈরি করুন। বিভিন্ন স্প্যামিং লিঙ্ক তৈরি করে ওয়েবসাইটের ক্ষতি করবেন না।

১০। ছবিতে কীওয়ার্ড পূর্ন ক্যাপশন ব্যবহার করুন। অনেকে শুধু ফাইল নেমে কীওয়ার্ড ব্যবহার করে কিন্তু ক্যাপশনে কোন কীওয়ার্ড ব্যবহার করে না।

১১। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এখন এসইও এর একটি অংশ। সুতরাং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং দিকে নজর দিন।

১২। ওয়েবসাইটে কাস্টমারের এক্টিভিটির সুযোগ রাখুন। যেমনঃ রিভিউ রেটিং, কমেন্ট, শেয়ারিং ফাংশন ইত্যাদি।

১৩। ছবিতে ALT টেক্সট ব্যবহার করুন। ALT টেক্সতে অবশ্যই কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

১৪। আর্টিকেল এর মধ্যে আর্টিকেল সম্পর্কিত ভিডিও যুক্ত করার চেষ্টা করুন।

১৫। সবচেয়ে অকার্যকর কনটেন্টটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে ডিলিট করুন।